হিমোগ্লোবিন বাড়ানোর উপায় খাবার, ঘরোয়া পদ্ধতি ও বিশেষজ্ঞ পরামর্শ
শরীর হঠাৎ দুর্বল লাগছে? সামান্য হাঁটলেই হাঁপিয়ে উঠছেন? তাহলে হয়তো আপনার
রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে গেছে। বাংলাদেশে প্রতি তিনজন নারীর মধ্যে একজন
এবং অনেক শিশু হিমোগ্লোবিনের ঘাটতিতে ভোগেন। কিন্তু আনন্দের বিষয় হলো, সঠিক
খাদ্যাভ্যাস ও ঘরোয়া পদ্ধতিতে হিমোগ্লোবিন বাড়ানোর উপায় খুবই সহজ।
আজকের এই লেখায় আমরা জানবো হিমোগ্লোবিন কী, কেন কমে যায়, এবং সবচেয়ে কার্যকর
উপায়ে কীভাবে তা বাড়ানো সম্ভব। তাই পুরো লেখাটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। এটি আপনার
স্বাস্থ্যের জন্য সত্যিই কাজে আসবে।
পেজ সূচিপত্রঃ
হিমোগ্লোবিন কি এবং কেন এটি এত জরুরি
হিমোগ্লোবিন হলো রক্তের লোহিত কণিকায় থাকা একটি বিশেষ প্রোটিন, যার মূল কাজ হলো
ফুসফুস থেকে অক্সিজেন নিয়ে শরীরের প্রতিটি কোষে পৌঁছে দেওয়া। সহজ ভাষায় বললে,
হিমোগ্লোবিন হলো আপনার শরীরের 'অক্সিজেন বাহক'।
যখন এই হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে যায়, তখন শরীর পর্যাপ্ত অক্সিজেন পায় না। ফলে
ক্লান্তি, দুর্বলতা এবং মাথা ঘোরার মতো সমস্যা দেখা দেয়। দীর্ঘদিন হিমোগ্লোবিন
কম থাকলে হৃদপিণ্ডের উপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও
উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। এজন্যই হিমোগ্লোবিনের মাত্রা স্বাভাবিক রাখা আমাদের
সুস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত জরুরি।
হিমোগ্লোবিনের স্বাভাবিক মাত্রা কত
হিমোগ্লোবিনের স্বাভাবিক মাত্রা বয়স ও লিঙ্গভেদে আলাদা হয়। নিচের তালিকা থেকে
আপনি সহজেই বুঝতে পারবেন আপনার মাত্রা ঠিক আছে কিনা।
যদি আপনার রক্ত পরীক্ষায় এই মাত্রার নিচে হিমোগ্লোবিন পাওয়া যায়, তাহলে
দ্রুত একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। শুধু লক্ষণ দেখে নিজে নিজে
সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়।
হিমোগ্লোবিন কম হওয়ার লক্ষণ
অনেকেই বুঝতে পারেন না যে তাদের হিমোগ্লোবিন কমে গেছে, কারণ লক্ষণগুলো ধীরে
ধীরে আসে। তবে কিছু নির্দিষ্ট লক্ষণ দেখলে সাথে সাথে সতর্ক হওয়া উচিত।
শারীরিক লক্ষণ
- সামান্য কাজেই অতিরিক্ত ক্লান্তি ও দুর্বলতা লাগা
- মাথা ঘোরা বা হঠাৎ চোখে অন্ধকার দেখা
- হৃদস্পন্দন অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়া
- সামান্য পরিশ্রমেই শ্বাসকষ্ট অনুভব করা
- হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যাওয়া বা অসাড় লাগা
ত্বক ও চুলের পরিবর্তন
- ত্বক, ঠোঁট ও নখ ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া
- চোখের সাদা অংশ আরও সাদা দেখানো
- নখ ভঙ্গুর হয়ে পড়া বা চামচের মতো বাঁকা হওয়া
- চুল অতিরিক্ত পড়তে শুরু করা ও রুক্ষ হয়ে যাওয়া
মানসিক লক্ষণ
- মনোযোগ ধরে রাখতে না পারা এবং ভুলে যাওয়া
- স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয়ে পড়া
- কারণ ছাড়াই বিরক্তি বা মেজাজ খারাপ হওয়া
এই লক্ষণগুলোর মধ্যে তিনটি বা তার বেশি একসাথে দেখা দিলে অবিলম্বে একটি CBC
(Complete Blood Count) রক্ত পরীক্ষা করানো জরুরি।
হিমোগ্লোবিন কম হওয়ার কারণ
হিমোগ্লোবিন কম হওয়ার পেছনে একটি নয়, বরং একাধিক কারণ থাকতে পারে। সবচেয়ে
সাধারণ ও প্রধান কারণ হলো আয়রনের ঘাটতি। শরীরে পর্যাপ্ত আয়রন না থাকলে
হিমোগ্লোবিন তৈরি হয় না, কারণ আয়রনই হলো হিমোগ্লোবিনের মূল কাঁচামাল।
এছাড়া ভিটামিন বি১২ এবং ফোলিক অ্যাসিডের অভাবেও হিমোগ্লোবিন কমে যায়।
দীর্ঘস্থায়ী রোগ যেমন কিডনির সমস্যা, থাইরয়েড বা ক্যান্সারেও এই সমস্যা দেখা
দিতে পারে। নারীদের ক্ষেত্রে মাসিকের সময় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হিমোগ্লোবিন
কমিয়ে দেয়। গর্ভাবস্থায় শরীরের রক্তের চাহিদা প্রায় ৫০% বেড়ে যায়, তাই এই
সময়ও হিমোগ্লোবিন কমার ঝুঁকি অনেক বেশি থাকে।
হিমোগ্লোবিন বাড়ানোর উপায় — খাবারের মাধ্যমে
সবচেয়ে প্রাকৃতিক ও নিরাপদ হিমোগ্লোবিন বাড়ানোর উপায় হলো সঠিক খাবার বেছে
নেওয়া। সঠিক পুষ্টিগুণ সম্পন্ন খাবার নিয়মিত খেলে মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যে
উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন অনুভব করবেন। চলুন জেনে নিই কোন কোন খাবার আপনার রক্তে
হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়াতে সবচেয়ে বেশি কার্যকর।
আয়রন সমৃদ্ধ খাবার
হিমোগ্লোবিন তৈরির মূল উপাদান হলো আয়রন। তাই প্রতিদিনের খাবারে আয়রন সমৃদ্ধ
খাবার রাখা সবচেয়ে জরুরি। প্রাণিজ উৎস থেকে সেরা আয়রন পাওয়া যায় গরু ও
খাসির কলিজা, লাল মাংস, ডিমের কুসুম এবং সামুদ্রিক মাছ থেকে।
উদ্ভিজ্জ উৎসের মধ্যে পালং শাক, কচুশাক, মসুর ডাল, ছোলা এবং মিষ্টি কুমড়ার বীজ
অত্যন্ত কার্যকর। এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানতে আরো পড়ুন থেকে কোন কোন খাবারে
আয়রন আছে এই আর্টিকেলটি পড়তে পারেন।
আরো পড়ুনঃ কোন কোন খাবারে আয়রন আছে
ভিটামিন সি যুক্ত খাবার
শুধু আয়রন সমৃদ্ধ খাবার খেলেই হবে না। শরীর যাতে আয়রন ভালোভাবে শোষণ করতে
পারে, সেজন্য একই সময়ে ভিটামিন সি যুক্ত খাবার খাওয়া দরকার।
লেবু, কমলা, আমলকী, টমেটো এবং ব্রকোলিতে প্রচুর ভিটামিন সি আছে। পালং শাকের
সঙ্গে একটু লেবুর রস মিশিয়ে খেলে আয়রন শোষণ দুই থেকে তিন গুণ বেড়ে যায়। এটি
একটি সহজ কিন্তু অত্যন্ত কার্যকর কৌশল।
ফোলিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ খাবার
ফোলিক অ্যাসিড লোহিত রক্তকণিকা তৈরিতে সাহায্য করে। সবুজ শাকসবজি, ডাল, কলা,
বাদাম এবং সূর্যমুখীর বীজে প্রচুর ফোলিক অ্যাসিড পাওয়া যায়। গর্ভবতী মায়েদের
জন্য প্রতিদিন ৪০০-৬০০ মাইক্রোগ্রাম ফোলিক অ্যাসিড বিশেষভাবে জরুরি।
ভিটামিন বি১২ সমৃদ্ধ খাবার
ভিটামিন বি১২ লোহিত রক্তকণিকার স্বাস্থ্য রক্ষায় অপরিহার্য। ডিম, দুধ, দই,
পনির এবং মাংসে প্রচুর বি১২ পাওয়া যায়। যারা নিরামিষভোজী, তাদের ক্ষেত্রে
বি১২-এর ঘাটতি বেশি হয় বলে সাপ্লিমেন্ট নেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে।
হিমোগ্লোবিন বাড়ানোর ঘরোয়া উপায়
ঘরে বসেই কিছু সহজ পদ্ধতিতে হিমোগ্লোবিন বাড়ানো সম্ভব। এই ঘরোয়া উপায়গুলো
সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক, সহজলভ্য এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত।
ডালিমের রস
প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এক গ্লাস টাটকা ডালিমের রস পান করুন। ডালিমে আয়রন,
ভিটামিন সি এবং শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট একসাথে থাকে। তাই এটি হিমোগ্লোবিন
বাড়ানোর সবচেয়ে কার্যকর ঘরোয়া উপায়গুলোর একটি। নিয়মিত দুই সপ্তাহ খেলেই
পার্থক্য বুঝতে পারবেন।
বিটরুট জুস
বিটরুট আয়রন, ফোলিক অ্যাসিড ও পটাশিয়ামে ভরপুর। প্রতিদিন এক গ্লাস বিটরুটের
রস খেলে দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়তে শুরু করে।
চাইলে এর সঙ্গে সামান্য আদার রস বা লেবু মিশিয়ে নিতে পারেন, স্বাদ ও গুণ দুটোই
বাড়বে।
খেজুর ও কিশমিশ ভিজিয়ে খাওয়া
রাতে একটি গ্লাস পানিতে ৭-৮টি খেজুর ও এক মুঠো কিশমিশ ভিজিয়ে রাখুন। সকালে
খালি পেটে এটি খেয়ে নিন। এই সহজ অভ্যাসটি রক্তে আয়রনের মাত্রা ধীরে ধীরে
কিন্তু কার্যকরভাবে বাড়িয়ে তোলে।
তিল ও মধুর মিশ্রণ
দুই চামচ কালো তিল সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। সকালে এটি হালকা বেটে নিয়ে
এক চামচ খাঁটি মধু মিশিয়ে খান। এই মিশ্রণটি আয়রন ও ক্যালসিয়ামের চমৎকার
প্রাকৃতিক উৎস এবং হিমোগ্লোবিন বাড়াতে দারুণ কার্যকর।
মেয়েদের হিমোগ্লোবিন বাড়ানোর উপায়
নারীদের মধ্যে হিমোগ্লোবিনের ঘাটতি সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। প্রতি মাসে মাসিকের
সময় একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ রক্ত বের হয়ে যাওয়ায় আয়রন ও হিমোগ্লোবিন কমে
যায়। এটি অনেকটা স্বাভাবিক, কিন্তু সঠিক খাদ্যাভ্যাস না থাকলে এটি সমস্যায়
পরিণত হয়।
আরো পড়ুনঃ প্রেসার কমানোর উপায়
মাসিকের পরের সপ্তাহটি হলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। এই সময় পালং শাক,
কলিজা, মসুর ডাল এবং খেজুর বেশি পরিমাণে খাওয়া উচিত। চা ও কফি যতটা সম্ভব কম
পান করুন, কারণ এগুলো আয়রন শোষণে বাধা দেয়। প্রাপ্তবয়স্ক নারীদের প্রতিদিন
কমপক্ষে ১৮ মিলিগ্রাম আয়রন পাওয়া জরুরি।
গর্ভাবস্থায় হিমোগ্লোবিন বাড়ানোর উপায়
গর্ভাবস্থায় শরীরের রক্তের পরিমাণ প্রায় ৫০% বেড়ে যায়। তাই এই সময়
হিমোগ্লোবিনের চাহিদাও অনেক বেশি থাকে। গর্ভবতী মায়ের হিমোগ্লোবিন কমে গেলে
শুধু মায়ের নয়, গর্ভের সন্তানের বিকাশও ব্যাহত হতে পারে।
প্রতিদিনের খাবারে অবশ্যই কলিজা বা লাল মাংস, সবুজ শাক, ডাল এবং ডিম রাখতে হবে।
সেই সাথে
ডাক্তারের পরামর্শে আয়রন ও ফোলিক অ্যাসিড সাপ্লিমেন্ট নেওয়া এই সময় সবচেয়ে নিরাপদ পদ্ধতি। চা বা কফি খাবারের অন্তত এক
ঘণ্টা পরে পান করুন।
গর্ভাবস্থায় প্রতি মাসে রক্ত পরীক্ষা করানো উচিত, যাতে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা
নজরে রাখা যায় এবং প্রয়োজনে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়।
শিশুদের হিমোগ্লোবিন বাড়ানোর উপায়
শিশুর মস্তিষ্কের সঠিক বিকাশ ও শরীরের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য হিমোগ্লোবিন
স্বাভাবিক থাকা অত্যন্ত জরুরি। আয়রনের ঘাটতিতে শিশুর পড়াশোনায় মনোযোগ কমে
যায়, স্বাভাবিক বৃদ্ধি বাধাপ্রাপ্ত হয় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে
পড়ে।
ছয় মাসের পর শিশুকে মায়ের দুধের পাশাপাশি আয়রন সমৃদ্ধ পরিপূরক খাবার দেওয়া
উচিত। পালং শাকের স্যুপ, মসুর ডালের নরম ভাত, সিদ্ধ ডিমের কুসুম এবং পাকা কলা
শিশুর জন্য আদর্শ খাবার। বড় শিশুদের প্রতিদিন ডালিম বা বিটরুটের রস খাওয়ানো
যায়।
শিশুর হিমোগ্লোবিন কম মনে হলে অবশ্যই একজন শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। নিজে
নিজে সাপ্লিমেন্ট দেওয়া ঠিক নয়।
দ্রুত হিমোগ্লোবিন বাড়ানোর উপায়
যদি হিমোগ্লোবিন অনেক বেশি কমে যায় এবং দ্রুত বাড়ানো দরকার হয়, তাহলে শুধু
খাবারের উপর নির্ভর না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। চিকিৎসক প্রয়োজনে
আয়রন ইনজেকশন বা উচ্চমাত্রার আয়রন সাপ্লিমেন্ট দিতে পারেন, যা কয়েক সপ্তাহের
মধ্যে হিমোগ্লোবিন দ্রুত বাড়িয়ে তোলে।
তবে মনে রাখবেন — ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া নিজে থেকে আয়রন ট্যাবলেট বেশি
পরিমাণে খাওয়া উচিত নয়। অতিরিক্ত আয়রন শরীরে বিষক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে।
Frequently Asked Questions
হিমোগ্লোবিন বাড়তে কতদিন লাগে?
সঠিক খাবার ও পরিমাণমতো সাপ্লিমেন্ট নিলে সাধারণত ৩ থেকে ৬ সপ্তাহের মধ্যে
হিমোগ্লোবিন স্বাভাবিক মাত্রায় ফিরে আসতে শুরু করে। তবে এটি ব্যক্তিভেদে আলাদা
হতে পারে।
কোন ফল খেলে হিমোগ্লোবিন বাড়ে?
ডালিম, কলা, আমলকী, খেজুর এবং শুকনো এপ্রিকট হিমোগ্লোবিন বাড়াতে সবচেয়ে বেশি
কার্যকর। এগুলোতে আয়রন ও ভিটামিন সি একসাথে থাকায় শরীর দ্রুত উপকার পায়।
হিমোগ্লোবিন কত হলে রক্ত দিতে হয়?
পুরুষের ক্ষেত্রে হিমোগ্লোবিন ৮ g/dL এর নিচে এবং নারীর ক্ষেত্রে ৭ g/dL এর
নিচে নেমে গেলে সাধারণত রক্ত দেওয়ার প্রয়োজন হয়। তবে এই সিদ্ধান্ত চিকিৎসক
নেবেন।
রাতে কি খেলে হিমোগ্লোবিন বাড়ে?
রাতে ঘুমানোর আগে এক মুঠো ভেজানো কিশমিশ বা খেজুর খাওয়া ভালো। রাতের খাবারে
পালং শাক, ডাল বা মাছ রাখলে সকালে শরীর ভালো পরিমাণ আয়রন শোষণ করতে পারে।
চা-কফি কি হিমোগ্লোবিনে প্রভাব ফেলে?
হ্যাঁ, চা ও কফিতে থাকা ট্যানিন আয়রন শোষণে বাধা দেয়। তাই খাবারের সাথে বা
খাওয়ার সাথে সাথে চা-কফি না খেয়ে অন্তত ৪৫ মিনিট থেকে এক ঘণ্টা পর পান করুন।
শেষ কথাঃ লেখকের মন্তব্য
হিমোগ্লোবিন কমে যাওয়া একটি সাধারণ সমস্যা হলেও সঠিক সময়ে সচেতন হলে এটি
সহজেই সমাধান করা যায়। সঠিক খাদ্যাভ্যাস, ঘরোয়া পদ্ধতি এবং প্রয়োজনে
ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে হিমোগ্লোবিন বাড়ানোর উপায় মেনে চললে আপনি দ্রুত
সুস্থ ও প্রাণবন্ত অনুভব করবেন।
মনে রাখবেন — শুধু ওষুধ নয়, প্রতিদিনের খাবার ও সঠিক জীবনযাপনের অভ্যাসই আপনার
রক্তকে সুস্থ ও শক্তিশালী রাখতে পারে। তাই আজ থেকেই আপনার খাদ্যতালিকায় আয়রন
ও ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার যোগ করুন এবং একটি সুস্থ, সক্রিয় জীবনের দিকে এগিয়ে
যান।




চাঁপাই আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url